জ্যোতিষশাস্ত্রওগ্রহদেরধারনারত্নেরধারনমোবাইল 7001310672 জ্যোতিষ আচার্য অনিমেষ পাত্র ।
ভূমিকা
জ্যোতিষ ভারতের প্রাচীনতম শাস্ত্র। মহত্তম
জ্যোতিষ শাস্ত্রকে বেদের চক্ষু স্বরূপ বলা
হয়েছে। অথর্ব-বেদ, অগ্নিপু
রাণ, বৃহৎ সংহিতা,
তন্ত্রসার, চরক সংহিতা ও ক�ৌটিল্যের অর্থশাস্ত্র
সহ বহু প্রাচীন ও প্রামাণ্য আকর গ্রন্থে এবং
প্রজ্ঞাবান মুনি-ঋষিদের শাস্ত্রীয় বচনে জ্যোতিষের
মানব কল্যাণকারী ভূমিকার কথা, ব্যবহারিক
উপযোগিতা এবং জাগতিক সমস্যার সমাধানে
জ্যোতিষীয় পরিষেবা, গ্রহদোষ প্রতিকার এবং
রত্ন ধারণের কথা বারংবার স্বীকার করা হয়েছে।
সমস্যা জর্জরিত, আর্ত, বিভ্রান্ত, হতাশ ও বিপর্যস্ত
মানুষের কল্যাণে জ্যোতিষী একনিষ্ঠ সেবা ব্রতী ও
সাধক। উদভ্রান্ত ও দিশা হীন মানুষকে পরামর্শ,
পূর্বাভাষ, প্রেরণা ও প্রতিকার দিয়ে, শুভকর্ম
ও ঐশী চেতনায় উদ্বুদ্ধ করে, মানুষের সার্বিক
কল্যাণই জ্যোতিষ ও জ্যোতিষীর মূল প্রেরণা
ও একমাত্র সার্থকতা। জীবনের জটিল যাত্রা
পথে জ্যোতিষী একজন যথার্থ পথপ্রদর্শক। এক
কথায় বলা যেতে পারে - Friend, Philoso-
pher and Guide.
আ নো ভদ্রঃ ক্রতবো যন্তু বিশ্বতঃ। – ঋগ্বেদ
Let Noble Thoughts Come To Us From
Every Sides. – Rig Veda
জীবন ও জ্যোতিষের যোগসূত্র
জ্যোতিষ চর্চা বাস্তবে জীবন চর্চা। ভারতীয় জ্যোতিষের
মূল ভিত্তি হল কর্ম ও কর্মফল, জন্ম ও জন্মান্তর, আত্মার
অবিনশ্বরতা ও মোক্ষ তথা মহা মুক্তি। জ্যোতিষ শাস্ত্র গড়ে
উঠেছে জ্যোতির্বিজ্ঞান(Astronomy), গণিত(Mathe-
matics),শারীরবিজ্ঞান (Physiology), আয়ুর্বেদ (Med-
icine) ও ফলিত জ্যোতিষের সামগ্রিক সমন্বয়ে। এক
কথায় বলা যেতে পারে Art, Science and Philoso-
phy. জ্যোতিষ শাস্ত্র ভারতীয় জীবনাদর্শ, সংস্কৃতি , ধর্ম ও
দর্শন সম্মত এক মহা বিজ্ঞান (A Great Science). যার
মু
খ্য উদ্দেশ্য হল, মহা-মুক্তির লক্ষ্যে অগ্রসরমান মানুষকে
সহায়তা প্রদান করা ও দিক নির্দেশ করা।
জন্ম জন্মান্তরের সঞ্চিত কর্মফল অবিনাশী আত্মার মাধ্যমে
বর্তমান জীবনে প্রকাশিত হয়। যার প্রতিফলন ধরা পড়ে
‘রাশি-গ্রহ-নক্ষত্রের’ সংকেতে। রাশিচক্রই জীবনচক্র
তথা বর্তমান জীবনের নীল নক্সা। কর্মের গুণগত মান
অনুসারে জীবনের মান নির্ধারিত হয়। অতীত কর্মফল
পূর্বনির্ধারিত, কিন্তু কর্মকে নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে বর্তমান ও
ভবিষ্যৎ জীবনকে পরিবর্তন করা সম্ভব। সদর্থক কর্ম
প্রচেষ্টা ও জ্যোতিষ পরামর্শ জীবনকে সুন্দর থেকে
সুন্দরতর করে তোলে। এখানেই জীবন ও জ্যোতিষের
প্রধান যোগসূত্র ও উপযোগিতা।
জীবন ও জ্যোতিষের যোগসূত্র
জ্যোতিষ চর্চা বাস্তবে জীবন চর্চা। ভারতীয় জ্যোতিষের
মূল ভিত্তি হল কর্ম ও কর্মফল, জন্ম ও জন্মান্তর, আত্মার
অবিনশ্বরতা ও মোক্ষ তথা মহা মুক্তি। জ্যোতিষ শাস্ত্র গড়ে
উঠেছে জ্যোতির্বিজ্ঞান(Astronomy), গণিত(Mathe-
matics),শারীরবিজ্ঞান (Physiology), আয়ুর্বেদ (Med-
icine) ও ফলিত জ্যোতিষের সামগ্রিক সমন্বয়ে। এক
কথায় বলা যেতে পারে Art, Science and Philoso-
phy. জ্যোতিষ শাস্ত্র ভারতীয় জীবনাদর্শ, সংস্কৃতি , ধর্ম ও
দর্শন সম্মত এক মহা বিজ্ঞান (A Great Science). যার
মু
খ্য উদ্দেশ্য হল, মহা-মুক্তির লক্ষ্যে অগ্রসরমান মানুষকে
সহায়তা প্রদান করা ও দিক নির্দেশ করা।
জন্ম জন্মান্তরের সঞ্চিত কর্মফল অবিনাশী আত্মার মাধ্যমে
বর্তমান জীবনে প্রকাশিত হয়। যার প্রতিফলন ধরা পড়ে
‘রাশি-গ্রহ-নক্ষত্রের’ সংকেতে। রাশিচক্রই জীবনচক্র
তথা বর্তমান জীবনের নীল নক্সা। কর্মের গুণগত মান
অনুসারে জীবনের মান নির্ধারিত হয়। অতীত কর্মফল
পূর্বনির্ধারিত, কিন্তু কর্মকে নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে বর্তমান ও
ভবিষ্যৎ জীবনকে পরিবর্তন করা সম্ভব। সদর্থক কর্ম
প্রচেষ্টা ও জ্যোতিষ পরামর্শ জীবনকে সুন্দর থেকে
সুন্দরতর করে তোলে। এখানেই জীবন ও জ্যোতিষের
প্রধান যোগসূত্র ও উপযোগিতা।
জ্যোতিষীর ধর্ম ও কর্তব্য
জ্যোতিষী ধর্ম প্রচারক বা ধর্মগুরু নন। জ্যোতিষীর ব্যক্তিগত
ধর্ম বিশ্বাস, ধর্ম বোধ ও ধর্মাচরণ থাকা স্বাভাবিক।
জ্যোতিষীর কাজ হল – নিরপেক্ষ ভাবে জাতি, ধর্ম, বর্ণ
ও লিঙ্গ নির্বিশেষে সকলের কল্যাণ কামনা ও পরামর্শ
দান করা। জ্যোতিষীর একটাই ধর্ম তা হল ‘মানবতা’,
একটাই কর্তব্য, তা হল আপামর জনসাধারণের ‘সেবা’।
জ্যোতিষীর প্রধান কর্তব্য হল – সমস্যা গ্রস্ত মানুষকে
সুস্থ ও স্বাভাবিক পথ দেখিয়ে সাফল্য ও সুপ্রতিষ্ঠার পথ
প্রদর্শন করা। এছাড়া, সনাতন জ্যোতিষ শাস্ত্রের প্রচার,
প্রসার, পঠন-পাঠন ও প্রশিক্ষণ দ্বারা সমাজের বৃহত্তম
মানুষের কাছে জ্যোতিষের উজ্জ্বল ভাবধারাকে তুলে ধরা।
জ্যোতিষ বিশ্বাসী মানুষের আস্থা অর্জন করে দায়িত্বশীল
ভূমিকা পালন করা।
জ্যোতিষ বিশ্বাসী মানুষের কর্তব্য
(১) নিজের ও পরিবারের সকলের সঠিক জন্ম তথ্য
সংরক্ষণ করা। বিশেষ করে ইংরাজি মতে জন্ম
তারিখ, জন্মবার, জন্মসময় ও জন্মস্থান লিপিবদ্ধ
করা।
(২) শিশুর জন্মগ্রহণের এক মাসের মধ্যে জ্যোতিষশাস্ত্র
সম্মত নামকরণ করা। নামকরণের ক্ষেত্রে মনে
রাখবেন নামকরণ যেন সংক্ষিপ্ত, শ্রুতিমধুর, সুন্দর
অর্থবহ এবং পারিবারিক পরিচয় ও ঐতিহ্যবাহী
হয়। ছেলেবেলা থেকে একটিই নাম ব্যবহার করুন,
একাধিক নাম বর্জন করুন।
(৩) উপযুক্ত বয়সে শাস্ত্রজ্ঞ জ্যোতিষীকে দিয়ে ক�োষ্ঠী
তৈরি করানো। জীবনের মৌলিক বিষয়গুলি (শরীর,
স্বাস্থ্য, আয়ু, শিক্ষা, কর্ম) আগাম জেনে নিয়ে ভবিষ্যৎ
পরিকল্পনা করা।
ক�োন গ্রহের প্রভাবে কি সমস্যা হয়
রবি (SUN)
জন্মছকে রবি অশুভ হলে- প্রতিষ্ঠায় বাধা, মান-যশ হানি,
আয়ু ও জীবনী শক্তির ক্ষয়, পিতার সঙ্গে শত্রুতা, সরকারী
চাকরি হয় না, ওপরওয়ালার কুনজরে পরতে হয়, হার্টের
রোগ, মাথার আঘাত, আত্মবিশ্বাসের ঘাটতি, অর্থহানি
ও ভাগ্য বিপর্যয় ঘটে। চরম হতাশা ব্যর্থতা, বাধা-বিঘ্ন
মানুষকে অসহায় করে তোলে, জীবনে সহজে মাথা তূলে
দাঁড়াতে পারে না। রাজরোষ ও রাজনৈতিক কারণে বিপদ
ও জীবন হানির যোগ প্রবল হয়।
চন্দ্র (Moon)
জন্মছকে চন্দ্র অশুভ হলে – মন, মেজাজ ও মানসিকতা
বিক্ষিপ্ত হয়, অতিরিক্ত চাঞ্চল্য ও অস্থিরতা তৈরি করে,
কাজকর্মে ও বিদ্যায় বাধা হয়ে ওঠে, একাগ্রতা কমে যায়,
মানসিক রোগ, কাপু
রুষতা ও সন্দেহ প্রবণতা প্রবল হয়,
চোখের রোগ, রক্ত চলাচলে বাধা, ঠাণ্ডা-শ্লেষ্মা, বাতজ
পীড়া, হাঁপানি, অ্যালার্
জি
, বুক ও ফুসফুসের রোগ, শ্বাসকষ্ট
বৃদ্ধি পায়। মায়ের সঙ্গে শত্রুতা ও মায়ের স্বাস্থ্য হানি করে,
আলস্য ও অস্থিরতা বাড়ায়, দেহরস, অতিরিক্ত ওজন
ও স্থূ
লত্ব বাড়ায়। জল, জলজ প্রাণী, জলপথে বিপদ ও
জীবনহানির যোগ প্রবল হয়।
মঙ্গল (Mars)
জন্মছকে মঙ্গল অশুভ হলে – রাগ, জেদ, হঠকারিতা,
দুঃসাহস, মারকুটে স্বভাব ও নিষ্ঠুর করে। ভাইয়ের সঙ্গে
শত্রুতা, জমি-বাড়ি ও ভূসম্পত্তি জনিত নানা সমস্যায়
ভুগতে হয়। শরীরে আঘাত, রক্তপাত, দুর্ঘটনা, অস্ত্রোপচার
(অপারেশন) ও রক্ত ঘটিত রোগ হয়। মেয়েদের
রজঃস্রাবের গোলমাল, শ্বেতপ্রদর, বাধক-বেদনা ও রক্ত
হীনতার অন্যতম কারণ হয়। আগুণ, বিদ্যুৎ, ধারাল অস্ত্র,
গাড়ি দুর্ঘটনা থেকে বিপদ ও জীবন হানির যোগ প্রবল
হয়।
বুধ (Mercury)
জন্মছকে বুধ অশুভ হলে- বুদ্ধি, স্মৃতি ও মেধার অভাব
হয়, বাচালতা, তোতলামি, চাঞ্চল্য ও অস্থিরতা বৃদ্ধি করে,
ঘন ঘন মত পরিবর্তন ও সিদ্ধান্তহীনতা বৃদ্ধি করে, ভাব
প্রকাশে ত্রুটি, জনসংযোগ ও লোক ব্যবহারে অক্ষমতা
আনে। বন্ধু, সহকর্মী ও সহযোগীদের বিরোধিতার মুখোমুখি
হতে হয়। যোগাযোগ ও প্রভাবশালী ব্যক্তির সুপারিশ
ফলপ্রসূ হয় না। স্নায়ুঘটিত রোগ বুদ্ধির বিকার, মাথার
গণ্ডগোল এবং চিকিৎসা বিভ্রাটের কারণ হয়। স্বাস্থ্যহানি,
স্বজন ও বন্ধু-বিচ্ছেদ ঘটায়, স্নায়ু মস্তিষ্ক বিকৃতি , ভুল
ওষুধ সেবনে বিপত্তি, যাতায়াত কালে জীবনহানির যোগ
প্রবল হয়। শিক্ষা, সিদ্ধান্ত ও সাফল্য অধরা থেকে যায়।
বৃহস্পতি (Jupiter)
জন্মছকে বৃহস্পতি অশুভ হলে- অভাব, দারিদ্র ও সীমাহীন
দুর্দশা নিত্য সঙ্গী হয়। বিয়েতে বাধা-বিঘ্ন ঘটায়, গবেষণায়
ব্যর্থতা আনে। মিথ্যাচারী, বকধার্মিক ধর্ম ব্যবসায়ী তৈরি
করে। উচ্চপদে উন্নতি বা পদোন্নতিতে বিলম্ব ঘটায়।
নীতি হীনতা ও পাপ কাজে দক্ষতা বাড়ায়। পেটের রোগ,
মেদ বাহুল্য, উচ্চ রক্তচাপ ইত্যাদি রোগের কারণ হয়,
সন্তান হানি, সন্তান শোক ও প্রবল দুঃখ-দুর্দশার কারণ
হয়। গুরু, বিচার-বিভাগ, আইন-আদালত ও উচ্চস্তরীয়
প্রশাসনিক ব্যক্তির দ্বারা ক্ষতি ও জীবনহানির ভয় থাকে।
শুক্র (Venus)
জন্মছকে শুক্র অশুভ হলে- স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত
হয়। উগ্র ও উদ্দাম জীবন যাত্রা জীবনে বিড়ম্বনা ডেকে
আনে। হতাশা, অতৃপ্তি , দাম্পত্য জীবনে অস্থিরতা বৃদ্ধি
করে। অবাঞ্ছিত ঝামেলা-ঝঞ্ঝাট নিত্যসঙ্গী হয়। লোভ,
লালসা, মদ্যপান, যথেচ্ছ যৌনাচার ও পরস্ত্রীরত করে।
সন্তান প্রজননে অক্ষমতা, যৌনরোগ (গনোরিয়া/সিফিলিস),
মধুমেহ রোগ হয়। অতিরিক্ত ভোগ, যথেচ্ছাচার থেকে
মানসিক বিকৃতি আসে। যৌনাঙ্গের রোগ, অঙ্গ শিথিলতা,
অবশভাব, স্বাস্থ্যহানি ও ক্ষয়জনিত রোগ প্রবল হয়।
যৌনরোগ, বিপরীত লিঙ্গ দ্বারা ষড়যন্ত্র ও শত্রুতা থেকে
বিপদ ও জীবনহানির যোগ প্রবল হয়।
শনি (Saturn)
জন্মছকে শনি অশুভ হলে- কৃপণতা, আলস্য, দীর্ঘ
সূত্রটা,
গয়ংগচ্ছ ভাব, মনমরা, হতাশা প্রবণ ও আত্মহত্যা প্রবণ
করে তোলে। অভাব, দুঃখ, ক্লেশ, ঋণ, রোগশোক নিত্যসঙ্গী
হয়। ধর্ম, সংস্কৃতি , সামাজিক রীতিনীতির ব্যাপারে উগ্র
ও উন্নাসিক করে তোলে। সব কাজে দেরি করায়, বিয়ের
যোগাযোগ হলেও পাকা দেখা হয় না। চর্মরোগ, হাড়,
দাঁত, স্নায়ুর জটিল ও দীর্ঘ
স্থায়ী রোগ হয়। ঈর্ষা, কুটিলতা,
সমাজচ্যুত ভাবধারা বৃদ্ধি করে। ক্যান্সার জাতীয় দুরারোগ্য
অসুখে ভুগতে হয়, আঘাত, অস্থিভঙ্গ ও কষ্টদায়ক রোগে
শয্যাগত হয়ে জীবনহানির যোগ প্রবল হয়।
রাহু (Rahu)
জন্মছকে রাহু অশুভ হলে- দুর্নাম, বদ সঙ্গ, বুদ্ধিনাশ,
অকালপক্ব, স্কুল বা বাড়ি থেকে পালিয়ে যাওয়া ইত্যাদির
কারণ হয়। জুয়া খেলা, নেশা করা, নিন্দিত কাজে আসক্তি
বাড়ায়। ফাটকা আয় করায়, লোভী মানসিকতা দেয়।
ব্যভিচারী করে, অবৈধ প্রেম প্রণয়, অধিক সম্ভোগ, দেহজ
সম্পর্কের চোরাপথে জীবনে বিপর্যয় আনে। দুষিত ক্ষত,
কঠিন চর্মরোগ, গুপ্ত রোগ হয়। মস্তানি, তোলাবাজি,
ঝুঁকিপূর্ণকাজে আগ্রহ বাড়ায়। অপরাধ জগতে জড়িয়ে
পড়ে। আকস্মিক দুর্ঘটনা, অকালমৃত্যু, অপমৃ
ত্যুর কারণে
জীবনহানি হয়।
কেতু (Ketu)
জন্মছকে কেতু অশুভ হলে- উটক�ো ঝামেলা ঝঞ্ঝাট,
অকারণ ব্যয় বৃদ্ধি পায়। সব কাজে অকারণ দেরী করায়।
মামলা –মোকদ্দমায় জড়িয়ে পড়তে হয়। জ্ঞাতি, স্বজন
বিরোধ ও গুপ্ত শত্রু দ্বারা জীবনে নানা ধরনের সমস্যা
নেমে আসে। অতিরিক্ত বাছ বিচার ও শুচিতার কারণে
স্বাস্থ্যহানি ঘটে। নাশকতা, গোপন অভিসন্ধি ও ষড়যন্ত্রে
লিপ্ত হয়। শরীরের নিম্নভাগে জটিল ও দীর্ঘ
স্থায়ী রোগ
হয়, সামান্য রোগ জটিল হয়ে ওঠে, সহজে সারতে চায়
না বা ধরা প’ড়ে না। গুপ্ত শত্রু দ্বারা গুম খু
ন, অপহরণ ও
পণ বন্দী হয়ে জীবনহানির যোগ প্রবল হয়। জীবনে নানা
ক�োন রত্ন কখন পড়বেন
গ্রহ রত্ন ধাতু বার আঙুল
রবি চুনি সোনা রবিবার অনামিকা
চন্দ্র মুক্তো সোনা/
রূপা
সোমবার তর্জনী
মঙ্গল প্রবাল সোনা/
তামা
মঙ্গলবার অনামিকা
বুধ পান্না সোনা বুধবার অনামিকা/
কনিষ্ঠা
বৃহঃ পোখরাজ সোনা বৃহঃ তর্জনী
শুক্র হীরা সোনা/
প্লাটিনাম
শুক্রবার মধ্যমা
শনি নীলা রূপা/
সোনা
শনিবার মধ্যমা
রাহু গোমেদ রূপা/
সোনা
শনিবার মধ্যমা
কেতু বৈদূর্য রূপা/
সোনা
মঙ্গলবার কনিষ্ঠা
রত্ন কিভাবে কাজ করে
প্রত্যক্ষভাবে = রঙ, রশ্মি, স্পর্শ, স্পন্দন ও দ্রব্যগুণ দ্বারা
পরোক্ষভাবে = দেহ-মন-চৈতন্যকে প্রভাবিত করে শুভকর্ম
প্রচেষ্টা দ্বারা আত্মবিশ্বাস ও আত্মবিকাশের মাধ্যমে।
রত্ন + কর্ম=সাফল্য
গ্রহ রত্ন ধারণ মন্ত্র
গ্রহ ও রত্ন ধারণ মন্ত্র
রবি চুনি ওঁ হ্রীং হ্রীং সূর্যায় নমঃ
চন্দ্র মুক্তো ঔঁ ঐঁ ক্লীং সোমায় নমঃ
[14/02, 08:08] Nabagram: প্রচ্ছদ সূচীপত্র
মঙ্গল প্রবাল ঔঁ হূং শ্রীং মঙ্গলায় নমঃ
বুধ পান্না ঔঁ ঐং স্ত্রীং শ্রীং বুধায় নমঃ
বৃহঃ পোখরাজ ঔঁ হ্রীং ক্লীং হূং বৃহস্পতয়ে নমঃ
শুক্র হীরা ঔঁ হ্রীং শুক্রায় নমঃ
শনি নীলা ঔঁ ঐং হ্রীং শ্রীং শনেশ্চরায় নমঃ
রাহু গোমেদ ঔঁ ঐং হ্রীং রাহবে নমঃ
কেতু বৈদূর্য ঔঁ হ্রীং ঐং কেতবে নমঃ
রত্ন শোধন কিভাবে করবেন
প্রচলিত রত্ন শোধন পদ্ধতিতে (ক্ষারজল, লেবুর রস,
গোমূত্র ) রত্নের দ্রব্যগুণ নষ্ট করে। ফলে রত্নের কার্য্য
ক্ষমতা হারায়। রত্ন শোধন করতে কেবলমাত্র :
(১) বিশুদ্ধ জলে কয়েক ফোঁটা কাঁচা গরুর দুধ ও যৎ
সামান্য সিদ্ধি গুড়ো মেশান। ওই জলে রত্নটি ডুবিয়ে
নিয়ে ধারণ করুন। সিদ্ধি গুঁড়ো পাড়ার দশকর্মদোকানে
পাবেন।
(২) দৈনিক ব্যবহারের সময় আঘাত, ঘর্ষণ, জারক তরল
( সাবান, সোডা, ক্ষার, ক্লিনার, অ্যাসিড) থেকে সাবধান
থাকুন।
(৩) কেবলমাত্র শুদ্ধ ধাতুতে রত্ন বাঁধিয়ে শুভ মু
হূর্তে
ধারণ করুন।
(৪) নারী ও পু
রুষ - সকলেই ডান হাতে, গলায় বা
বাহুতে রত্ন ধারণ করতে পারেন।
(৫) বই পড়ে, আন্দাজে বা নিজের ইচ্ছে মতো রত্ন ধারণ
করবেন না।
(৬) রত্ন প্রতিকারের জন্য সঠিক রত্ন, রত্নের সঠিক
গুণমান ও রত্নের সঠিক পরিমাণ বিচার করা যথেষ্ট
দক্ষতা, মু
নশিয়ানা ও অভিজ্ঞতার প্রয়োজন।
(৭) সর্বদা শাস্ত্রজ্ঞ ও অভিজ্ঞ জ্যোতিষীর পরামর্শ নিয়ে
রত্ন ধারণ করুন।
Comments
Post a Comment